Tazreen Fashion owner admits fault, but blames others

Delowar Hossain

“It was my fault,” said Delowar Hossain, managing director of Tazreen Fashion Ltd, yesterday.

“But nobody told me that there was no emergency exit which could be made accessible from outside. Nobody even advised me to install one like that, apart from the existing ones,” he argued in an exclusive interview with The Daily Star, for the first time since the deadly fire killed 111 workers at his factory on Saturday.

“I could have done it. But nobody ever suggested that I do it.”

মালিক দায় চাপালেন কিছু কর্মকর্তার ওপর

আশুলিয়ায় আগুনের ঘটনায় তিন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

প্রথম আলোর গোলটেবিল: মৃত্যুর জন্য দায়ী মালিকের অবহেলা

আশুলিয়া অস্থির, পোশাকশ্রমিকেরা আগুন-আতঙ্কে

ষড়যন্ত্রতত্ত্ব নয়, হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই

আশুলিয়ায় আগুনের ঘটনার তদন্তে স্কপের কমিটি

Garment ‘jinx’ gets going

No more such deaths, please

Units without 2 exits to be shut

An agonising wait outside

Grief-struck

Fire Kills 112 Workers Making Clothes for US Brands

US rap star urged to act

Bangladesh Factory Inferno Witness: Managers Ignored Fire

BGMEA to disburse salaries of Tazreen Fashions’ workers Dec 1

While Delowar was apparently shaken by the tragedy, he did not announce any compensation for the families of the deceased, nor did he clearly express any sympathy for them, at least not in public.

Besides shouldering the entire responsibility for the incident, Delowar also blamed others for the tragedy — at least partly. He alleged that the officials of the labour department had visited his factory several times, but they had not raised any question about the exit routes.

It was the social compliance audit of the retail giant Walmart that complained only about the excess working hours at the factory. “But we have rectified the problem after receiving the complaint,” he claimed.

The retailer did not complain about the absence of any emergency exit from outside, Delowar said, adding that it did not even raise any objection over having a warehouse on the ground floor in the same building and near the staircase.

“Now I can understand it was my fault and I realise it at a time when more than a hundred lives have been lost,” said Delowar.

A total of 1,137 workers, out of 1,163, were present in the factory when the incident occurred. The factory has a space of 1.40 lakh square feet.

Delowar started his own garment business in March 2004 by setting up Tuba Textiles Mills Limited with two production lines. Ashulia-based Tazreen Fashion is a sister concern of Tuba Group.

He made his fortune with the garments business by setting up a dozen units since 2004. Earlier, his career began as an accounts manager at Latest Garment in 1989.

Delowar refuted the claim that the fire had originated from an electric short circuit on the ground floor. “It is not true, as there was no electric point over there,” he asserted.

“Of course, I believe it is sabotage and therefore, a pre-planned incident. We are looking for some officials who were present during the incident and now cannot be traced,” he said.

Among the officials, Mubarak Hossain Manju, production manager, was on the fourth floor during the incident; while Mohammad Dulal, quality manager, was on the third floor though his seating arrangement was on the fifth floor. Abdur Razzak, factory manager, was on the third floor although his designated desk was on the fifth floor, mentioned Delowar.

“If they are found, they can tell us why the workers were barred from leaving the second, third and fourth floors after the first fire alarm had rung,” he said.

Denying the allegation of locking the collapsible gates from outside during the incident, the owner said: “The gates were never locked. They always remain open.”

He also explained that the warehouse was set up on the ground floor to facilitate the loading and unloading of raw materials.

Asked if it was a violation of rules having a warehouse on the ground floor and adjacent to the staircases, he only replied: “Now I can realise many things.”

He also admitted that the fire extinguishers did not work. “The workers panicked rather than use the fire extinguishers. Every worker was trained to use it,” he claimed.

Earlier in the day, The Daily Star reached Delowar, who was thrust into the spotlight over the nation’s deadliest factory fire in history.

He shared much of his personal and business information but denied some of the allegations that have been raised after the mayhem.

The first issue, on his being a Canadian citizen, Delowar claimed: “I never went to Canada, let alone having the citizenship. No one can find a Canadian visa on my passport … Anyone can search with the Canadian embassy.

“Even a media report cited that I am an Italian citizen. I do not know how and where they got the information, which is completely baseless,” he said.

Earlier at noon, a visit to the group’s corporate office adjacent to Gulshan Circle-1 revealed that the entry doors were locked.

The lone security guard, Nurul Islam, was walking to and fro in the apartment building, Esprit, a six-storeyed building facing Gulshan Lake.

“Four to five employees came to the office in the morning, but then left immediately,” said Islam, adding that around 60 employees work in the head office.

Delowar, however, claimed that the head office was open and the employees were working inside after locking the doors “to avoid any untoward incident”.

প্রথম আলো

আগুনে পুড়ে যাওয়া তাজরীন ফ্যাশনসের মালিক দেলোয়ার হোসেন বলেছেন, তিনি কোথাও পালিয়ে যাননি। তবে আগুনে পুড়ে ১১১ জনের মৃত্যুর দায় চাপালেন তিনি তাঁর প্রতিষ্ঠানের কয়েকজন কর্মকর্তার ওপর।
প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন বলেন, আগুন লাগার পর শ্রমিকেরা যখন বের হতে চাইছিলেন, তখন কয়েকজন কর্মকর্তা তাঁদের বাধা দেন বলে অনেকের বক্তব্যে এসেছে। এ কারণেই এত প্রাণহানি হয়েছে। কাজেই যাঁরা বাধা দিয়েছিলেন, তাঁদের বিচার হওয়া উচিত। আগুন লাগার দিন ওই কারখানায় এক হাজার ১৩৭ জন শ্রমিক-কর্মচারী কর্মরত ছিলেন জানিয়ে তিনি বলেন, এঁদের মধ্যে ১৪৩ জন বিকেলেই চলে গিয়েছিলেন। বাকিরা কাজ করছিলেন।
বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) কার্যালয়ে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন দেলোয়ার হোসেন। গতকাল বুধবার বিজিএমইএর ডাকে তিনি সেখানে হাজির হন।
প্রথম আলো: আগুন লাগার পর ভবনের তৃতীয় তলায় কার নির্দেশে শ্রমিকদের বের হতে বাধা দেওয়া হয়েছে?
দেলোয়ার হোসেন: একই প্রশ্ন তো আমারও! আহত ও বেঁচে যাওয়া শ্রমিকেরা বলেছেন, দুলাল, রাজ্জাক, মঞ্জু ও রানা তাঁদের বের হতে দেননি। আমি তাঁদের কাউকেই এখন ফোনে পাচ্ছি না। তাঁরা মোবাইল ফোন বন্ধ করে পালিয়েছেন।
মো. দুলাল ওই কারখানার মাননিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপক, আবদুর রাজ্জাক কারখানা ব্যবস্থাপক। মোবারক হোসেন মঞ্জু উৎপাদন ব্যবস্থাপক আর সোহেল রানা সহকারী উৎপাদন ব্যবস্থাপক। অভিযোগ উঠেছে, এঁরাই শ্রমিকদের বের হতে বাধা দিয়েছেন।
প্রথম আলো: তাজরীন ফ্যাশনসের নয়তলা ওই ভবনের নিরাপত্তা ত্রুটি রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আপনি কি এটা জানতেন না?
দেলোয়ার হোসেন: ২০০৮ সালে আমি ভবনটি আরেকজন গার্মেন্টস মালিকের কাছ থেকে কিনে নিই। তখন ভবনটি তিনতলা ছিল। ২০০৯ সালের শেষ দিকে সেখানে তাজরীন গার্মেন্টস চালু করি এবং পরে ওপরে বাড়াই।
প্রথম আলো: ভবনের নিচতলায় একটি গুদাম ছিল। এখানে গুদাম করা কি বৈধ? সেখানে নিরাপত্তা দেয়ালও ছিল না বলে অভিযোগ উঠেছে।
দেলোয়ার হোসেন: আমি অনুমতি নিয়েই গুদাম করেছি। গুদামটি নিরাপদ ছিল। সেখানে কোনো বৈদ্যুতিক লাইন ছিল না। বাইরে থেকে লাইট এনে গুদাম থেকে মালামাল বের করা হতো। আর সেখানে কোনো বিস্ফোরণের শব্দও কেউ শোনেনি।
প্রথম আলো: বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিটের কথা বলেছেন কেউ কেউ। আপনি বলছেন, সেখানে বিদ্যুতের লাইনই নেই। তাহলে গুদামে আগুন লাগল কীভাবে?
দেলোয়ার হোসেন: কারখানার ভেতরের বা বাইরের কোনো মহল চক্রান্ত করে আগুন লাগিয়েছে। না হলে সেখানে আগুন আসবে কোথা থেকে!
প্রথম আলো: অভিযোগ আছে, ব্যাংকের ঋণ থেকে রক্ষা পেতে কিংবা বিমার টাকা পেতেই মালিকপক্ষ থেকে আগুন লাগানো হয়েছে।
দেলোয়ার হোসেন: আমার কারখানার একটি বিমা করা আছে, সেটা মাত্র ১৮ কোটি টাকার। কিন্তু আগুনে তো আমার ক্ষতি হয়েছে ২০০ কোটি টাকারও বেশি। তাহলে অল্প কিছু টাকার জন্য কারখানায় আগুন দেব কেন আমি?
প্রথম আলো: আগুন লাগার পর কি আপনি কারখানাটি দেখতে কিংবা শ্রমিকদের সান্ত্বনা দিতে গিয়েছেন?
দেলোয়ার হোসেন: (কান্নাজড়িত কণ্ঠে) আগুন লাগার পর আটটার দিকে আমি কারখানায় গিয়েছিলাম। আমার চোখের সামনে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলছিল। শ্রমিক-কর্মচারীরা আমাকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন। কিন্তু ১০টার দিকে কিছু শ্রমিক উত্তেজিত হয়ে উঠলে আমি চলে আসতে বাধ্য হই।
প্রথম আলো: এই আগুন, এত মৃত্যু—এসবের দায় কি আপনি এড়াতে পারেন?
দেলোয়ার হোসেন: ভাই, আমারও তো সন্তান আছে। যাঁদের স্বজন হারিয়েছে, তাঁদের কী বলে আমি সান্ত্বনা দেব! কোটি টাকা দিলেও তো এই ক্ষতি পূরণ হবে না। আমি এই কষ্ট বুঝি। আমি তো কারও জীবন ফিরিয়ে দিতে পারব না। তবে আমার যেসব শ্রমিক মারা গেছেন, তাঁদের পরিবারকে আমি দেখব। আর বেঁচে যাওয়া কোনো শ্রমিক আমার অন্য কারখানায় কাজ করতে চাইলে আমি তাঁদের কাজ দেব।
প্রথম আলো: কানাডার একটি পত্রিকায় খবর বের হয়েছে, আপিন সে দেশের নাগরিকত্ব নিয়েছেন। অনেকে আশঙ্কা করছেন, আপনি সুযোগ বুঝে কানাডা চলে যাবেন।
দেলোয়ার হোসেন: নাগরিকত্ব তো দূরের কথা, আমি কখনো কানাডায়ই যাইনি। কানাডার পত্রিকা কীভাবে এটা লিখল, তা আমি বুঝতে পারছি না।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s