The curious case of Mashiur’s ‘leave from office’

Abdur Rahim Harmachi
Chief Economics Correspondent

Dhaka, Nov 3 (bdnews24.com)

Facing criticism over rejoining his duties, Prime Minister’s Economic Affairs Advisor Mashiur Rahman on Saturday said he will do what the Prime Minister decides for him.

Mashiur, also the Padma bridge project’s Integrity Officer, was sent on leave in September to fulfil a condition set by the World Bank for reviving funding for the project.

পদ্মা সেতু নিয়ে নতুন জটিলতা

Mashiur’s joining office sparks confusion

Mashiur returns

The PM’s aide, who is under pressure over the Padma bridge project, told bdnews24.com, “I have joined work as my leave is over. I will go to the Anti-Corruption Commission tomorrow (Sunday). I will act as per the decision the Prime Minister takes after her return from the Laos summit.”

Prime Minister Sheikh Hasina is now in Vietnamese capital of Hanoi on a six-day official visit to the Socialist Republic of Vietnam and the Lao People’s Democratic Republic.

Mashiur was criticised in a section of the media after he resumed his duties at the Prime Minister’s Office on Nov 1, although one of the World Bank’s conditions for reviving the Padma bridge funding was to keep him on leave during probe into the graft allegations in the mega project.

Mashiur said he joined his duties as his one-month leave ended on Oct 31.

The government is yet to make any specific statement on his staying on leave for one month. The government has so far also not refuted media reports that he was sent on leave only for a month.

Though Mashiur recently visited the USA along with the Prime Minister, he did not attend the meetings of the Cabinet committees on economic affairs and purchases during his leave.

Meanwhile, the Anti-Corruption Commission last week asked Mashiur to appear before it on Nov 4 to face questioning in connection with the graft allegations in the country’s largest-ever infrastructure development project.

On Saturday, the bdnews24.com correspondent and two other correspondents of two other TV channels went to Mashiur’s official residence at the city’s Minto Road to take his interview, but he declined to appear before media.

The correspondents gave their visiting cards to the on-duty police officer. The police officer later said, “Sir will not talk to media before 5th of the month.”

The former secretary, however, talked to the bdnews24.com correspondent over telephone later.

Meanwhile, Finance Minister AMA Muhith on Saturday morning held a meeting with four secretaries at his official residence which is close to Mashiur’s. A source close to the Finance Minister said that the main focus of the discussion was the Padma bridge project.

Finance Secretary Fazle Karim, Economic Relations Department (ERD) Secretary Iqbal Mahmud, Internal Resources Division (IRD) Secretary Ghulam Hossain and Secretary to the Bank and Financial Institutions Division Shafiqur Rahman Patwari were present in the meeting.

After the two-hour meeting, the four officials left the minister’s residence. However, they did not brief reporters.

Some officials of the Integrity Department of the World Bank had raised graft allegations in the Padma bridge project in September last year. The development partner wanted the government to send on leave all the government officials relating to the project.

As the government failed to meet the conditions, the multinational global lender cancelled its credit for the $2.9-billion project on June 29, saying it had credible evidence of a corruption conspiracy involving Bangladeshi officials, executives of Canadian engineering giant SNC-Lavalin and some private individuals.

It set several conditions to revive its pledged $1.2-billion loan.

Later, former Communications Minister Syed Abul Hossain stepped down while former Bridges Division Secretary Mosharraf Hossain was sent on leave. Mashiur Rahman, who was the Integrity Advisor to the Padma bridge project, went on leave in mid-September.

The multinational lender, which decided to revive its loan commitment on Sep 21 after the Bangladesh government agreed to its terms and conditions, appointed an external panel early this month to oversee the ACC investigation.

The three-member panel in mid-October visited Dhaka and held several meetings with the top ACC officials. The World Bank’s second team is expected this month to work out the procurement modalities of the project.

ঢাকা, নভেম্বর ০৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)

বিশ্ব ব্যাংকের ‘শর্ত মেনে’ ছুটিতে যাওয়ার পর পুনরায় কাজে যোগ দেয়া নিয়ে সমালোচনার মধ্যে মসিউর রহমান বলেছেন, এক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন তিনি।

পদ্মা সেতু প্রকল্প নিয়ে চাপের মুখে থাকা প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা শনিবার দুপুরে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আমি ছুটি শেষে কাজ যোগ দিয়েছি। কাল (রোববার) দুদকে যাব। দেশে ফিরে প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নিতে বলবেন সেই মোতাবেক কাজ করব।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে ভিয়েতনাম রয়েছেন।

১ নভেম্বর মসিউর তার কার্যালয়ে গেলে তা নিয়ে কয়েকটি সংবাদপত্রে সমালোচনা হয়। এতে বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত ভঙ্গ হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়।

মসিউর জানান, এক মাসের ছুটি শেষে তিনি কাজে যোগ দিয়েছেন।

তবে মসিউরের এক মাস ছুটিতে থাকা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে শুরু থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

তাকে এক মাসের ছুটিতে পাঠানো হয় বলে সংবাদ মাধ্যমে যে কথা বলা হয়েছিল, সরকারের পক্ষ থেকে তা-ও অস্বীকার করা হয়নি।

এই ছুটির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গী হলেও মন্ত্রিসভা কমিটিসহ সরকারের কয়েকটি কমিটির বৈঠকে তিনি যাননি।

শনিবার সকালে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম এবং দুটি টেলিভিশনের পক্ষ থেকে কাজে যোগ দেয়ার বিষয়ে বক্তব্য জানতে মসিউরের মিন্টো রোডের সরকারি বাসায় গেলে তিনি দেখা দেননি।

তিন রিপোর্টারের ভিজিটিং কার্ড দেয়া হলে- কর্তব্যরত পুলিশ কর্মকর্তা কার্ড তিনটি নিয়ে বাসার ভেতরে যান। তিনি ফিরে এসে বলেন, “স্যার (মসিউর) বলেছেন, ৫ তারিখের আগে তিনি মিডিয়ায় কোনো কথা বলবেন না।”

পরে অবশ্য টেলিফোনে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের সঙ্গে কথা বলেন সাবেক এই সচিব।

পদ্মা প্রকল্পে ‘দুর্নীতির’ তদন্তে কার্যরত দুর্নীতি দমন কমিশন ইতোমধ্যে মসিউরকে তলব করেছেন। আগামী ৪ ডিসেম্বর দুদক কর্মকর্তারা তার সঙ্গে কথা বলবেন।

এদিকে মসিউরের বাড়ির কাছেই নিজের সরকারি বাড়িতে শনিবার চার সচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এই বৈঠকের আলোচনার বিষয় পদ্মা সেতু প্রকল্প ছিল বলে অর্থমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র জানায়।

বৈঠকে অর্থসচিব ফজলে করিম, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সচিব (ইআরডি) ইকবাল মাহমুদ, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের (আইআরডি) সচিব গোলাম হোসেন এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব শফিকুর রহমান পাটোয়ারি উপস্থিত ছিলেন।

সকাল ১১টায় বৈঠক শুরু হয়, শেষ হয় সাড়ে ১২টার দিকে। বৈঠক শেষে চার সচিব এক গাড়িতে অর্থমন্ত্রীর বাসা থেকে বেরিয়ে যান। তবে তারা সাংবাদিকদের কিছু বলেননি।

Mashiur’s return won’t hurt probe, says ACC boss

Anti-Corruption Commission Chairman Ghulam Rahman yesterday claimed that Prime Minister’s Economic Affairs Adviser Mashiur Rahman’s return to work would not harm the ACC’s ongoing enquiry into the Padma bridge project corruption allegation.

Mashiur on Thursday went to work at the Prime Minister’s Office after his month-long leave.

For reviving the cancelled loan agreement for the bridge, the World Bank had placed a condition that Mashiur must be on leave during the probe.

Ghulam Rahman, in an interview with private television channel ATN Bangla, said, “The ACC acts independently and impartially. If he [Mashiur] remains at work, it will not influence the ACC’s enquiry in any way.

“It will make no difference to the ACC in making decisions.”

The anti-graft body last week asked Mashiur to appear before it on November 4 for questioning.

The ACC chief said its enquiry team quizzed many people and examined a lot of data and information. And it was going to question Mashiur regarding those.

In June, the World Bank cancelled its $1.2 billion loan for the bridge citing “corruption conspiracy”. It had said the government has to meet three conditions, including sending Mashiur on leave, for revival of the loan agreement.

The global lender decided to revive its loan on September 21 after the Bangladesh government agreed to its terms and conditions. It then appointed a three-member external panel early last month to assess the conduct of the ACC investigation. The panel recently visited Dhaka.

পদ্মা সেতু নিয়ে নতুন জটিলতা

প্রথম আলো নভেম্বর ৩, ২০১২

দুদকের তদন্ত চলাকালে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনীতিবিষয়ক উপদেষ্টা মসিউর রহমান সরকারি কাজে যোগ দেওয়ায় পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে আবার জটিলতা দেখা দিয়েছে। প্রকল্পের অন্যতম অর্থায়নকারী বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয় থেকে গতকাল সারা দিন সরকারের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। ওয়াশিংটন থেকেও খোঁজখবর নেওয়া হয়। তবে সরকারের কোনো মহল থেকেই পরিষ্কার বক্তব্য পায়নি বিশ্বব্যাংক। এ সংবাদে উদ্বিগ্ন বিশ্বব্যাংক।
বিষয়টি নিয়ে সরকারের মধ্যেও নানাভাবে আলোচনা চলছে। একাধিক মন্ত্রী, সরকারি দলের নেতা এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বললে তাঁদের বড় অংশই হতাশা প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে না থাকায় কেউই সঠিক তথ্য জানতে পারেননি। তবে একজন উপদেষ্টা বিশ্বব্যাংককে আশ্বস্ত করেছেন, মসিউর এখনো ছুটিতে আছেন। তিনি ব্যক্তিগত কাজে অফিসে গিয়েছিলেন।
এক মাস ছুটি শেষে আবার কাজে যোগ দেওয়ার সংবাদটি গতকাল শুক্রবার প্রথম আলোসহ একাধিক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। প্রথম আলোকে মসিউর রহমান নিজেই কাজে যোগ দেওয়ার কথা বলেছিলেন।
গতকাল বাংলাদেশে বিশ্বব্যাংকের পরিচালক অ্যালেন গোল্ডস্টেইন পূর্বনির্ধারিত কাজের অংশ হিসেবে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শনে চাঁদপুরে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) পরিচালক তেরেসা কো এবং শিক্ষা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি), স্থানীয় সরকার, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের সচিব এ সময় সঙ্গে ছিলেন।
সূত্র জানায়, চাঁদপুরে অ্যালেন গোল্ডস্টেইন ওয়াশিংটন থেকে প্রথম মসিউর রহমানের কাজে যোগ দেওয়া-সংক্রান্ত খবরটি জানতে পারেন। বাংলাদেশে প্রকাশিত পত্রিকা থেকে ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের প্রধান কার্যালয় তথ্যটি জানতে পেরে অ্যালেনের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
সরকারি একাধিক সূত্র থেকে জানা গেছে, চাঁদপুরে বসেই অ্যালেন গোল্ডস্টেইন বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একাধিক উপদেষ্টার সঙ্গে কথা বলেন। সেখান থেকে তিনি আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য তাঁর একান্ত সচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করে মসিউর রহমানের দাপ্তরিক কাজে যোগ দেওয়ার বিষয়ে কথা বলতে চান বলে জানান। এই সাক্ষাৎ শেষ পর্যন্ত হয়নি বলে জানা গেছে।
পদ্মা সেতুতে পুনরর্থায়ন নিয়ে চার শর্তের অন্যতম ছিল দুর্নীতির ষড়যন্ত্রে যাঁদের নাম এসেছে, সেই সব সরকারি কর্মকর্তাকে ছুটিতে পাঠানো। এই শর্ত মেনেই সর্বশেষ মসিউর রহমান ছুটিতে গেলে বিশ্বব্যাংক পদ্মা সেতুতে নতুন করে ফিরে আসার ঘোষণা দেয়। এ ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাংকের বক্তব্য ছিল, তদন্ত চলাকালীন সময়ে অভিযুক্ত কেউ দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। আর শর্ত পূরণ হচ্ছে কি না, সেটা দেখেই অর্থায়নের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মসিউর রহমানের কাজে যোগদানকে দাতা সংস্থাটি শর্তভঙ্গ হিসেবেই দেখছে বলে বিশ্বব্যাংক সূত্র বলেছে।
এদিকে, আওয়ামী লীগদলীয় সূত্র জানায়, আওয়ামী লীগের ধানমন্ডির কার্যালয়ে মসিউর রহমানের বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল। কারণ, তাঁকে আওয়ামী লীগের অর্থনৈতিক নির্বাচনী ইশতেহার তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এ রকম সিদ্ধান্তের পরেও ছুটিতে থাকা এই উপদেষ্টার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অফিস করা নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও নেতা।
কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মসিউর রহমানের কাজে যোগ দেওয়ার বিষয়ে তাঁরা অন্ধকারে আছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিয়েতনাম ও লাওস সফর শেষে দেশে ফিরে এলে তাঁরা এ বিষয়ে কথা বলবেন বলে জানা গেছে।
তবে সরকারের কারও কারও মধ্যে ভিন্ন আলোচনাও আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ মন্ত্রী প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের বাকি যে মেয়াদ আছে, সে সময়ের মধ্যে বিশ্বব্যাংকের তদন্ত ও আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে না। সে ক্ষেত্রে বর্তমান সরকারের সময়ে অর্থ পাওয়ার সম্ভাবনা কম। বিকল্প অর্থায়ন করেই কেবল এ প্রকল্প শুরু করা যেতে পারে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি অনুধাবন করে থাকতে পারেন। তাঁর অনুমতি নিয়েই হয়তো মসিউর রহমান দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন।
এ প্রসঙ্গে কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, মসিউর রহমানকে পদ্মা সেতু প্রকল্পের বাইরে রাখা হয়েছে। তিনি মন্ত্রিসভার বৈঠকে যান না। কিন্তু তিনি অর্থনীতিসংক্রান্ত অন্য কোনো কাজ করতে পারবেন না, এ কথা তো বিশ্বব্যাংক বলেনি।

One thought on “The curious case of Mashiur’s ‘leave from office’

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s