Banned Hizb-ut- Tahrir’s operations rising!

The Daily Star August 14, 2012

Rapid Action Battalion (Rab) on Sunday arrested 35 alleged members of banned outfit Hizb-ut- Tahrir from a restaurant in the capital’s Panthapath where they were holding a “secret meeting”.

Rab officials claimed that the meeting was convened to plan “subversive activities” or “massive showdown” after the Eid vacation. However, Rab could not clarify what kind of massive or subversive activities the youth had been planning.

গোপনে আরও সংগঠিত হচ্ছে হিযবুত তাহরীর

Commander M Sohail, director of Rab’s Legal and Media wing, said they had conducted the drive at Asiana Restaurant in Monowara Plaza around 6:45pm when they came to know about the seminar is being held in the name of Iftar-mahfil. Rab arrested all the 35 who were present there.

The Commander also said their intelligence had confirmed about the activities; however, the arrestees did not admit anything yet.

The arrestees were paraded before the media at the Rab headquarters in Uttara yesterday, even though the newsmen were not permitted to talk with them.

Rab also recovered some books and leaflets of the banned organisation from the spot.

Last night, Rab handed the 35 detainees over to Kalabagan police. A case under the anti-terrorism act was filed against them with the Police Station.

Of the arrestees, four are teachers of school, college and private university; eight study in different private medical and dental colleges, English medium schools and private universities; and 12 are university admission seekers.

One youth among the arrestees is a stock market trader while nine work in different private firms and one is unemployed, said Commander Sohail.

Based on the information the arrestees had given, Rab early yesterday raided the houses of 21 arrestees and seized a large number of banned books, magazines, leaflets, camera containing photographs of their activities, a laptop, several pen drives, cell phones and SIM cards, he added.

He also claimed that the banned outfit was having a tough time since law enforcers became active against them and arrested many of their activists. So the outfit had been organising invitation programs secretly where they could regroup and motivate people to join it.

The iftar-mahfil was arranged especially to motivate students, who have come to Dhaka for higher study, he added.

The Rab spokesperson also claimed that because of continuous drives against the banned outfits, like Hizb-ut-Tahrir and Harkatul Zihad, their members were shaking hands with other Islamist political parties hiding identities but carried out the activities of their own outfit.

“The number of such activists would be more than a lakh,” he said, adding that in most cases detained activists of such Islamist groups get out on bail and soon rejoin their outfits.

ব্যাপক ধরপাকড়ের মধ্যেও থেমে নেই হিযবুত তাহ্রীর বাংলাদেশের কার্যক্রম, বরং গোপনে আরও সংগঠিত হচ্ছে—চলছে নতুন সদস্য সংগ্রহ ও উদ্বুদ্ধকরণ (মোটিভেশন) কর্মসূচিও।
উগ্রপন্থী এই সংগঠনের তৎপরতা সম্পর্কে ৩ আগস্ট র‌্যাবের সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহ্রীরের প্রথম সারির কয়েকজন নেতা-কর্মীকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করলেও তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম একেবারে থেমে যায়নি। সংগঠনের সদস্য বাড়াতে বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের টার্গেট করে তারা মোটিভেশনাল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে তাদের ঝটিকা মিছিল, পোস্টারিং, লিফলেট বিতরণ ও প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে।’
র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান মনে করেন, পাল্টা-উদ্বুদ্ধকরণ (ডিমোটিভেশন) ছাড়া শুধু ধরপাকড় করে হিযবুত তাহ্রীরকে থামানো সম্ভব নয়। তিনি বলেন, ধর্মকে ব্যবহার করে তরুণ-তরুণীদের ‘মোটিভেট’ করা হচ্ছে। অনেক মা-বাবা বুঝতেই পারেন না, তাঁদের সন্তানেরা নিষিদ্ধ সংগঠনে জড়াচ্ছে। তাই অভিভাবকদের আরও সচেতন হতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও পাল্টা-উদ্বুদ্ধকরণের উদ্যোগ নিতে পারে।
২০০৯ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ সরকার উগ্রপন্থী এই আন্তর্জাতিক সংগঠনটিকে এ দেশে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। এরপর হিযবুত তাহ্রীরের প্রথম সারির প্রায় সব নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের হিসাবে, নিষিদ্ধ হওয়ার পর পুলিশ এ পর্যন্ত সংগঠনটির ২৪৫ জন নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে। প্রায় একই সংখ্যক গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাবও।
ওয়াকিবহাল সূত্রগুলো জানায়, হিযবুত তাহ্রীরের কার্যক্রম এখন পর্যন্ত রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকেন্দ্রিক। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অন্যান্য রাজনৈতিক দলের কর্মকাণ্ড না থাকায় সেগুলোই হিযবুত তাহ্রীরের প্রধান লক্ষ্য। এ কারণে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে তাদের নতুন সদস্যভুক্তির হারও বেশি। এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার হওয়া সদস্যদের মধ্যে বেশির ভাগই বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। আবার বিভিন্ন বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশ কিছু শিক্ষকও রয়েছেন, যাঁরা এই সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। শিক্ষকতার আড়ালে তাঁদের প্রধান কাজ হলো শিক্ষার্থীদের মগজ ধোলাই করে হিযবুত তাহ্রীরের সদস্য বাড়ানো।
মহানগর গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) উপকমিশনার মনিরুল ইসলাম মনে করেন, শুধু আইন প্রয়োগ করে হিযবুত তাহ্রীরকে থামানো সম্ভব নয়। এটা একটা মতবাদ। তিনি বলেন, জঙ্গি সংগঠন জেএমবির বেশির ভাগ সদস্য ছিল অশিক্ষিত। কিন্তু হিযবুত তাহ্রীরের সদস্যরা শিক্ষিত। তারা সংগঠনের মতবাদে বিশ্বাসী। এদের এই সংগঠন ছাড়াতে হলে যুক্তি-তর্ক দিয়ে বোঝাতে হবে। হিযবুত তাহ্রীর পবিত্র কোরআনের যেসব আয়াতের ভুল ব্যাখ্যা দিচ্ছে, এর শুদ্ধ ব্যাখ্যা ওই তরুণদের জানাতে হবে। এ জন্য দেশের ইসলামি চিন্তাবিদদেরও কাজ করতে হবে।
ডিবির জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার ছানোয়ার হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই কাজ করছেন হিযবুত তাহ্রীর নিয়ে। তিনি বলেন, এই সংগঠনের সদস্যরা দৈনন্দিন সব কাজই তাদের দলের সদস্যদের নিয়ে করে থাকে। তারা একসঙ্গে নামাজ পড়তে যায়, পরীক্ষার প্রস্তুতি নেয়, বেড়াতেও যায়। এ রকম একটি দল আবার অবিশ্বস্ত কাউকে ভিড়তে দেয় না। তিনি বলেন, প্রথম দিকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় এরা কথা বলতে চাইত না; কিন্তু যা বলত সত্য কথা বলত। সাম্প্রতিক সময়ে তারা জিজ্ঞাসাবাদে প্রচুর মিথ্যা কথা বলছে। রিমান্ডে তারা স্বীকার করছে, সংগঠনের বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যদের সিদ্ধান্তেই তারা মিথ্যা কথা বলছে। বয়োজ্যেষ্ঠ সদস্যরা বলেছেন, সংগঠনের জন্য মিথ্যা বললে পাপ হয় না।
জাতীয় পর্যায়ে উদ্বুদ্ধকরণের হাল: বর্তমান মহাজোট সরকার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৯ সালের ২২ এপ্রিল তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদকে প্রধান করে ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি জাতীয় ‘জঙ্গিবাদ প্রতিরোধ ও প্রতিকার কমিটি’ গঠন করা হয়। কথা ছিল, জঙ্গিবাদসহ বিভিন্ন বিষয়ে গণসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের এ কমিটি কাজ করবে। মসজিদ থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গায় প্রচারণা চালানোর কথা ছিল। বিভিন্ন সময় অনেক সভা হলেও বাস্তবে এ কমিটির তেমন কোনো কাজ দেখা যায়নি।
এ কমিটির বর্তমান প্রধান স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু। তিনি দাবি করেন, সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের তৎপরতা চলছে। সব কমিটি তাদের সভা করছে। এ ছাড়া প্রচারপত্র বিতরণের কাজও করা হচ্ছে। জঙ্গিবাদ প্রতিরোধে তৎপরতা থেমে নেই।
গত মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সব সাংসদকে একটি সরকারি আদেশপত্র পাঠানো হয়েছে। তাতে নির্বাচনী এলাকার পাড়া-মহল্লা, মসজিদ, মন্দির, গির্জাসহ বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানে জঙ্গিবাদবিরোধী জনসচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচারণা চালাতে বলা হয়েছে।
এক চিকিৎসকের পিতা প্রথম আলোকে বলেন, হিযবুত তাহ্রীরে যুক্ত হয়ে তাঁর ছেলে গ্রেপ্তার হয়। প্রায় সাত মাস জেল খেটে ছাড়া পেয়েছে। এখন ছেলেটা আর আগের মতো সবার সঙ্গে মিশছে না। সব সময়ই রেগে থাকে। ছেলেকে নিয়ে কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না তিনি। তিনি বলেন, ‘দেশে যেভাবে এসিডবিরোধী, মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন হচ্ছে, সেভাবে হিযবুত তাহ্রীরবিরোধী প্রচারণা চালানো উচিত।’

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s