Militant financing: Ansarullah Bangla Team and Mufti Jasim Uddin Rahmani

Bangladesh Bank last year detected 10 accounts from where money was deposited to Rahmani’s Al-Arafah Islami Bank account some years ago. Dhaka Tribune published a detail report on the findings, which were submitted to the Home Ministry and later the Detective Branch of police was assigned to deal with the militant financing issue.

More than one year has passed, but we know New development in the case though the militants have become a serious matter of concern for the government and the people.

Ansarullah was banned in May this year after Tweets claiming responsibility for several murders of bloggers and secular activists. It’s chief Rahmani has been in jail since August 2013 and now undergoing trial for instigating the murder of blogger-architect Ahmed Rajeeb Haider. This group has followed both in upper middle class and poor people, both highly educated and ignorant but having extremist views. They’re arrogant, they’re mysterious, they’re cowards!

On October 19, they sent emails to media houses giving six-point directives, which are Islamic rules. Everyone should follow this or face dire consequences.

However, at 1am I can see female presenters in news and LIVE talk shows. Let’s see the reaction of the militant experts and government highups.

image

image

image

image

We demand sincere and quick probe into the matter and the culprits brought to the book!

যেই সরকারে যায়, সেই সংখ্যালঘুদের জমি দখল করে

সংখ্যালঘুদের জমি দখলে নেমেছেন সাংসদ

ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সরকারদলীয় সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল ইসলাম ওরফে সুজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখল, তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ উঠেছে। নির্যাতিত ব্যক্তিদের মধ্যে ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলনের এক নেতার পরিবারও আছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো একটি গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদন, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন; হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ও ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে সাংসদ দবিরুল ইসলাম ও তাঁর ছেলে মাজহারুল জমি দখল, নির্যাতন বা হুমকি দেওয়ার কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে প্রথম আলোর কাছে দাবি করেছেন।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো প্রতিবেদন ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, সাংসদ দবিরুল ইসলাম তাঁর সংসদীয় আসনের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের রনবাগ নামক স্থানে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেড নামে একটি চা-বাগান গড়ে তুলেছেন। ১০৬ একর আয়তনের ওই বাগানের মাঝখানে অকুল চন্দ্র সিংয়ের ২১ বিঘা জমি, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ২৭ বিঘা জমি, থোনরাম সিংয়ের ২৪ বিঘা, ক্ষুদনলালের ২৪ বিঘা চা-বাগানসহ ১০টি হিন্দু পরিবারের চা-বাগান ও আবাদি জমি রয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, এর মধ্যে অকুল চন্দ্র সিংয়ের এক বিঘা জমি অন্য সংখ্যালঘুদের জমিতে যাওয়ার পথ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। করিডোরের মতো এই এক বিঘা জমি দখল হয়ে গেলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকজন তাঁদের নিজ জমিতে যাওয়ার আর কোনো পথ পাবেন না। কারণ, তাঁদের জমি ও বাগানের চারপাশ ঘিরে আছে সাংসদের চা-বাগান। অকুল চন্দ্রের এই এক বিঘাসহ বাগানের জমি দখল করতে পারলে সংখ্যালঘু ১০ পরিবারের সব জমি কবজা করা সহজ হবে সাংসদের জন্য।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাংসদের মদদে তাঁর ছেলে সংখ্যালঘু পরিবারগুলোকে চা-বাগানের ১৫০ থেকে ২০০ বিঘা জমি সাংসদের কাছে বিক্রি করতে বাধ্য করতে চাইছেন। এ জন্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের হুমকি দেওয়া ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। সর্বশেষ তাদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।
ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১০ জুন অকুল চন্দ্র সিং তাঁর এক বিঘা জমির অর্ধেকে চাগাছের চারা রোপণ করেন। কিন্তু সাংসদের লোকজন ওই দিন বিকেলেই হাল চষে চারাগুলো নষ্ট করে দেন। ১৭ জুন সাংসদের ছেলে মাজহারুল ইসলাম গিয়ে অকুল চন্দ্রকে শাসিয়ে আসেন।
১৯ জুন সাংসদের ছেলের নেতৃত্বে রনবাগ ইসলামী টি এস্টেট কোম্পানি লিমিটেডের তত্ত্বাবধায়ক একরামুল হক এবং স্থানীয় মোহাম্মদ আলী, শওকত আলী, আশরাফুল ইসলাম, এরশাদ আলী, বাবু, মিনিসহ ২৫ থেকে ৩০ জন সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্র দিয়ে অকুল চন্দ্র সিং, ভাকারাম সিং ও জনক চন্দ্র সিংয়ের ওপর হামলা চালায়। এতে ভাকারাম সিংসহ আট-দশজন আহত হন। সন্ত্রাসীরা চা-বাগানের জমি সাংসদপুত্র মাজহারুল ইসলামের নামে লিখে দেওয়ার জন্য জোর করে স্ট্যাম্পে অকুল চন্দ্রের সই নেওয়ার চেষ্টা করে।
ঠাকুরগাঁও জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি বলরাম গুহ প্রথম আলোকে বলেন, জমি দখলের জন্যই হামলা হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করতে বলা হয়েছে, কিন্তু ভয়ে তারা যাচ্ছে না। তিনি বলেন, সংখ্যালঘুরা আওয়ামী লীগকেই ভোট দেয়, আর ক্ষমতায় এলে ওই আওয়ামী লীগের নেতারাই তাদের সঙ্গে অন্যায় করে।
ভাকারাম সিং প্রথম আলোকে জানান, সাংসদের সমর্থকেরা তাঁকে মারধর করার পর তিনি গত ২০ জুন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
জানতে চাইলে ভুক্তভোগী অকুল চন্দ্র সিং প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংসদ তাঁর ক্যাডার বাহিনী দিয়ে আমাদের পাঁচ বিঘা জমি ইতিমধ্যে দখল করেছেন। ক্যাডার বাহিনী আমাদের মারধরও করেছে। কয়েকজন নারী-পুরুষকে গুরুতর আহত করেছে। নির্যাতনের ভয়ে কয়েকটি পরিবার ঘর ছেড়ে চলেও গেছে।’
অকুল চন্দ্র সিং বলেন, তিনি তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে বেশ কয়েকবার সাংসদের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি দেখা করেননি। অনেক ভয়ের মধ্যে দিন পার করছেন বলে জানান তিনি।
সাংসদ দবিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘটনা সঠিক নয়। এমন কোনো ঘটনাই ঘটেনি। মন্ত্রিসভা রদবদলের সময় আমার নাম এসেছিল যে আমি মন্ত্রী হব। আবার আমি জেলা আওয়ামী লীগেরও সভাপতি। এটা সহ্য করতে না পেরে সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন চক্রান্ত করে এসব গুজব রটিয়েছেন।’
কিন্তু সাংসদপুত্র মাজহারুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বিএনপি-জামায়াতের সমর্থক উপজেলা চেয়ারম্যান আয়ূব আলী ফায়দা নেওয়ার জন্য এসব রটাচ্ছে।
সাংসদ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যে দিন হামলা হয়েছে বলে বলা হচ্ছে, সেদিন আমার ছেলেকে টেলিফোন করে ডেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এরপর আমার ছেলের ওপর হামলা চালানো হয়। ও কিছুই জানত না।’
আর সাংসদপুত্র প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমি ওই দিন কোথাও যাইনি। ওই হামলার কথাও জানি না। বাসায় ঘুমিয়ে ছিলাম।’
অকুল চন্দ্র সিং কি তাহলে অন্য কারও হয়ে অভিযোগ করছেন—এমন প্রশ্নের জবাবে মাজহারুল বলেন, অকুল চন্দ্র সিং শিষ্টাচার জানেন না। সবকিছুতে উত্তেজিত হয়ে যান।
আর সাংসদের সঙ্গে অকুল চন্দ্র সিংয়ের দেখা করার চেষ্টার বিষয়ে জানতে চাইলে দবিরুল ইসলাম বলেন, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কেউ এ নিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যায়নি।
সাংসদের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাংসদের লোকজনের হামলার পর সংখ্যালঘুরা আমার বাড়িতে অভিযোগ নিয়ে এসেছিল। আমি জেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি জানিয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেছিলাম।’
তেভাগা আন্দোলনের নেতা হেলকেতু সিংয়ের ছেলে বধু সিং প্রথম আলোকে বলেন, ‘ইতিমধ্যে সাংসদ আমার চা-বাগানের ২৭ শতাংশ জমি দখল করেছেন। জমি না দিলে আমার বাগান জ্বালিয়ে দেবেন বলেও হুমকি দিয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও বিষয়টি জানে। কিন্তু কারও সাহায্য পাই না।’ হেলকেতু সিং কমিউনিস্ট পার্টির নেতা এবং এই অঞ্চলে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠকও ছিলেন।
জনক সিংয়ের ছেলে ধরেন সিং বলেন, ‘সাংসদের ছেলে প্রতি বিঘা জমির জন্য আমাদেরকে ৭০ হাজার টাকা দিতে চায়। জমি বিক্রি করব না বললে ক্যাডার বাহিনী জোর করে আমার কাছ থেকে স্টাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করে।’
গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যক্তিস্বার্থ হাসিলের জন্য সাংসদপুত্র এবং তাঁর সমর্থকেরা সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালাচ্ছে। এতে বর্তমান সরকার ও আওয়ামী লীগের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায় আওয়ামী লীগের ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত বলে এই অত্যাচার-নির্যাতনের কারণে সারা দেশে এর বিরূপ প্রভাব পড়বে।
প্রতিবেদনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলা ও নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। পাশাপাশি সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়ার কথা বলা হয় প্রতিবেদনে।
জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও জেলার পুলিশ সুপার আবদুর রহিম শাহ প্রথম আলোকে বলেন, ‘যদিও কেউ কোনো অভিযোগ করতে আসেননি, তবু জমি দখল নিয়ে এ ধরনের হামলার কথা শুনে আমি জেলা প্রশাসককে বিষয়টি জানিয়েছি। এ ছাড়া এ বিষয়টি মীমাংসা করার জন্য সাংসদও আমাকে অনুরোধ করেছেন।’
তবে স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, গত ১৯ জুন থেকে পাড়িয়া ইউনিয়নের কদমতলী, সিংগারী-১, সিংগারী-২, হাইয়াপাড়া ও কামাত পাড়িয়া গ্রামের হিন্দু পরিবারগুলো আতঙ্কে আছে। ভয়ে অনেকে রাতের বেলায় বাইরে থাকছেন। এসব পরিবারের নারীরা সাধারণত দিনের বেলায় খেতখামারে কাজ করেন। কিন্তু ঘটনার পর থেকে তাঁরা কাজে যেতেও ভয় পাচ্ছেন।

সাংসদের জমি দখলের বিষয় জানতে চিঠি

এবার সমঝোতার চেষ্টায় সাংসদ

সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করছেন মন্ত্রী-সাংসদ-প্রশাসন

মন্ত্রী, সাংসদ, ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মী ও প্রশাসনের বিরুদ্ধে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি দখলের অভিযোগ করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ঐক্য পরিষদ এ অভিযোগ করে।
সংবাদ সম্মেলনে দখলদারদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস দমন ও দ্রুত বিচার আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার ও সব রাজনৈতিক দলে পৃথক সেল গঠন করারও দাবি জানানো হয়।
এক প্রশ্নের জবাবে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘আমরা কারও ভোটব্যাংক নই। আমাদের বেয়াকুব ভাবা ঠিক হবে না। নাচতে নেমেছি, কিন্তু ঘোমটা দেব না।’
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে রানা দাশগুপ্ত বলেন, সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাসীরা যখন নীরব, তখন সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসীরা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে সংখ্যালঘুদের সম্পত্তি দখল করছে বা করার চেষ্টা করছে। সরকারি দলের সাংসদ দবিরুল ইসলাম ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গায় হিন্দু সম্প্রদায়ের জমি দখলের চেষ্টা করছেন। পিরোজপুরের সাংসদ এম এ আউয়ালের বিরুদ্ধে স্বরূপকাঠিতে এক ব্যবসায়ীর দোকান দখলের অপপ্রয়াস চালানোর অভিযোগ উঠেছে। সংসদের হুইপ মাহবুব আরা গিনির বিরুদ্ধে গাইবান্ধার রামগঞ্জ মিশন ও আশ্রমের জমি দখল এবং গাছ কাটার অভিযোগ উঠেছে। ফরিদপুরের ভাজনডাঙ্গার জমিদার সতীশ চন্দ্র গুহ মজুমদারের বাড়ি দখলে নিয়ে পুরোনো ভবন গুঁড়িয়ে দিয়েছেন মন্ত্রিসভার প্রভাবশালী এক মন্ত্রী। সাংবাদিকেরা প্রভাবশালী ওই মন্ত্রীর নাম জানতে চাইলে রানা দাশগুপ্ত বলেন, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে।
অভিযোগ সম্পর্কে দবিরুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ছয়বারের নির্বাচিত সাংসদ। এটা অনেকের ঈর্ষার কারণ। আমার ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কেউ কেউ অপপ্রচার চালাচ্ছেন।’ তবে তিনি বলেন, জমি নিয়ে যে বিরোধ ছিল, তা মিটমাট হয়ে গেছে। অভিযোগ সম্পর্কে মাহবুব আরা গিনি বলেন, ‘কলেজের সীমানা দেওয়া হয়েছে। প্রাচীরের ভেতরে কিছু গাছ কাটা পড়েছে। সরেজমিনে না দেখে ঐক্য পরিষদ আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে কারও জমি দখল করিনি, গাছ কাটিনি।’ তবে চেষ্টা করেও সাংসদ এম এ আউয়ালের মতামত নেওয়া সম্ভব হয়নি।
অন্যদিকে ফরিদপুরের জমিদারবাড়ি সম্পর্কে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘জমিদারবাড়িটি আমাদের পাশের বাড়ি। আমরা ৭০ বছর ওই বাড়ি পাহারা দিয়ে রেখেছি। অন্য এক ব্যক্তি জাল কাগজপত্র তৈরি করে ওই বাড়ি দখল করেছিল। আমরা তা দখলমুক্ত করি। পরে বাড়ির প্রকৃত মালিক অনেক পীড়াপীড়ি করায় আমরা ন্যায্য নাম দিয়ে ওই বাড়ি কিনেছি।’
সংবাদ সম্মেলনে রানা দাশগুপ্ত বলেন, ‘এই সংবাদটিকে (জমিদারবাড়ি দখল) আমরা বিশ্বাস করতে চাই না। তবে তা যদি সত্য হয়, প্রশ্ন জাগে, এ দেশের সংখ্যালঘুরা যাবে কোথায়? আমাদের কাছে নিশ্চিতভাবে খবর আছে, ফরিদপুরে দেবোত্তর সম্পত্তি বিলুপ্তির পথে।’
এরপর রানা দাশগুপ্ত ফরিদপুর জেলায় বেদখল হওয়া দেবোত্তর সম্পত্তির কিছু তথ্য তুলে ধরেন। এর মধ্যে আছে: কালীমাতা বিগ্রহের ১ হাজার ৮৬৯ শতক জমি দখল করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। শিবমন্দির ভেঙে তৈরি করা হয়েছে জেলা কারাগারের সাক্ষাৎকার কক্ষ। জগন্নাথ বিগ্রহের ১ দশমিক ৩২ একর দেবোত্তর সম্পত্তি দখলে রেখেছেন জেলা প্রশাসক। ব্রাহ্মসমাজ মন্দির ভেঙে গড়ে তোলা হয়েছে বালিকা বিদ্যালয় ও শহীদ মিনার। পারিবারিক শিবমন্দির দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে আইন মহাবিদ্যালয়। পারিবারিক দুর্গামন্দিরের ১ হাজার ৭২৫ শতক জমির ওপর গড়ে তোলা হয়েছে সমবায় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। রানা দাশগুপ্ত আরও বলেন, দখলদারেরা সংখ্যালঘুদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে এবং চাঁদাবাজিসহ মিথ্যা মামলা দিয়ে নিরীহ মানুষ ও সাংবাদিকদের হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের সামগ্রিক পরিস্থিতি ফরিদপুরের চেয়ে ভিন্ন নয়। লক্ষ্মীপুরের দালালবাজারে সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে সন্ত্রাসীরা জমিদারবাড়ির ৩৬ একর দেবোত্তর সম্পত্তি দখলের চেষ্টা করছে। নাটোরের সিংড়ায় মুক্তিযোদ্ধা ননীগোপাল কুণ্ডু ও তাঁর স্ত্রী চিত্রা রানীকে খুন করা হয়েছে। হবিগঞ্জের মাধবপুরে কলেজছাত্রী শিল্পী রানীকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। কক্সবাজারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের ওপর সন্ত্রাস চালিয়ে তাদের জায়গা দখল করেছে জাবেদ কায়সারের সন্ত্রাসী বাহিনী। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের দখল ও নির্যাতনের উদাহরণ তুলে ধরে বলা হয়, হিন্দু সম্প্রদায়ের মতো বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজন ভালো নেই। আদিবাসীদের মানবাধিকার পরিস্থিতিও ভালো নয়।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের সভাপতি সাংসদ উষাতন তালুকদার, আইনজীবী সুব্রত চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

খন্দকার মোশাররফের বিরুদ্ধে অভিযোগের নিন্দা ও প্রতিবাদ

হিন্দু বাড়ি দখলের অভিযোগের ব্যাখ্যা দিলেন মন্ত্রী

জনসংখ্যার ভিত্তিতে সংসদে সংখ্যালঘুদের আসন চাই

ফরিদপুরের ‘নুলা মুসা’

জেনে নিন কে এই ‘প্রিন্স ড. মুসা বিন শমসের’ !

২০১৫ জুলাই ১৭ ১৩:২৫:২৮

জেনে নিন কে এই 'প্রিন্স ড. মুসা বিন শমসের' !

একাত্তরের কুখ্যাত রাজাকার নুলা মুসা সম্পর্কে জনকণ্ঠ প্রকাশিত ‘সেই রাজাকার’ বইয়ের লেখাটি উত্তরাধিকার ৭১ নিউজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হল। এই লেখাটি দৈনিক জনকণ্ঠের প্রথম পাতায় প্রকাশ পেয়েছিল ‘সেই রাজাকার’ কলামে ২০০১ সালের ২৪ মার্চ।

‘সেই রাজাকার’ পুরো বইটি পড়তে ক্লিক করুন।


ফরিদপুরের ‘নুলা মুসাই’ এখন ঢাকার রহস্যে ঘেরা ধনাঢ্য ব্যবসায়ী প্রিন্স মুসা-বিন-শমসের


প্রবীর সিকদার, ফরিদপুর থেকে।। ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামট এলাকার মদনগোপাল আঙ্গিনার মেয়ে কমলা ঘোষ। বাবা অমূল্য ঘোষ লবণ ব্যবসায়ী। সবে বিয়ে হয়েছে কমলার। বাবার বাড়ি বেড়াতে আসতে না আসতেই একাত্তরের পঁচিশে মার্চের কাল রাতে শুরু হয় দেশব্যাপী পাকি সৈন্যদের হত্যাযজ্ঞ, তাণ্ডব। ফরিদপুরেই আটকা পড়ে যায় কমলা। একদিন পাকি মেজর আকরাম কোরায়শী ও তিন পাকি সেনা সহযোগে মদনগোপাল আঙ্গিনায় ঢোকে নুলা মুসা। কমলাদের ঘরে কমলাকে নিয়ে আদিম উল্লাসে ফেটে পড়ে পাকি সেনারা। সেদিন কমলার কোন আর্তনাদই পাকি দুর্বৃত্তদের মন গলাতে পারেনি। রক্তাক্ত ও অজ্ঞান কমলা পড়ে থাকে ঘরের মেঝেয়।

এক কান দু’কান করে এ ঘটনা জেনে যায় কমলার স্বামী। কমলাকে গ্রহনে অস্বীকৃতি জানায় স্বামী। আর স্বামীর ঘর হয়নি কমলার। লোকলজ্জায় একা একাই দেশ ছেড়েছে কমলা। বিদেশ বিভূঁইয়ে এবাড়ি-ওবাড়ি কাজ করে নিজেকে এখনো বাঁচিয়ে রেখেছে কমলা, বাঁচিয়ে রেখেছে একাত্তরের বীভৎস স্মৃতি।

ফরিদপুর শহরের মহিম স্কুল সংলগ্ন ধর্মশালা দেখাশোনা করতো কেষ্টমণ্ডল। কেষ্টমণ্ডলের চার মেয়ে-ননী, বেলী, সোহাগী ও লতা। নুলা মুসার তত্ত্বাবধানে এই বেলী ও ননী মুক্তিযুদ্ধের পুরো সময় পাকি সৈন্যদের মনোরঞ্জনে বাধ্য হয়েছে। পরে এই চার বোন ও তাদের মা মাখনবালার ঠাঁই হয়েছিল ফরিদপুরের পতিতাপল্লীতে। বয়স বেড়ে যাওয়ায় সে ব্যবসাও এখন নেই। চার বোন এখন গোয়ালচামটের এক নিভৃত স্থানে অতীত ঢেকে কাটাচ্ছে এক মানবেতর জীবন। শুধু কমলা, ননী, বেলী নয়, পাকি সেনাদের হাতে অর্ধশতাধিক বাঙ্গালী মা-বোনের সম্ভ্রম লুটের প্রধান অনুঘটক হিসেবে একাত্তরে কাজ করেছিল কুখ্যাত এই নুলা মুসা। একাত্তরে পাকি ‘দোস্ত’ সেই নুলা মুসাই এখন ঢাকার রহস্যে ঘেরা ধনাঢ্য ব্যবসায়ী, দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবারের নতুন আত্মীয়, স্বঘোষিত প্রিন্স, তথাকথিত ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রির অধীশ্বর মুসা-বিন-শমসের।

এখন তার নাম প্রিন্স ডঃ মুসা-বিন-শমসের হলেও সার্টিফিকেটে নাম এডিএম মুসা। মুসা-বিন-শমসের কিংবা এডিএম মুসা- কোন নামেই ফরিদপুরের মানুষ তাকে চেনে না। এক হাত খানিকটা বিকলাঙ্গ হওয়ায় তার ব্যাপক পরিচিতি ‘নুলা মুসা’ হিসেবেই। ফরিদপুর শহরের গোয়ালচামটের পুরনো বাসস্ট্যান্ড এলাকার তথাকথিত পীর ‘সাম্যবাদী তাপস শমসের বাঙ্গালী’ ওরফে শমসের মোল্লার তৃতীয় পুত্র এই নুলা মুসা। মুসা পরিবারের আদি নিবাস ফরিদপুরের নগরকান্দা উপজেলার ফুলসুতি ইউনিয়নের কাজীকান্দা-হিয়াবলদী গ্রামে। ১৯৬৮ সালে শহরের ঈশান স্কুল থেকে এসএসসি পাস করে রাজেন্দ্র কলেজে ভর্তি হয়েছিল মুসা।

১৯৮৬ সালে মুসার নামের আগে ‘ডক্টর’ সংযুক্ত হলেও রেকর্ডপত্রে নুলা মুসা ওরফে এডিএম মুসা ওরফে প্রিন্স ডঃ মুসা-বিন-শমসেরের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা পাশের কোন প্রমাণ মেলেনি কোথাও। আর তাই ‘ডক্টরেট’ ডিগ্রিটাও তার মতো রহস্যেঘেরা। বাকপটু মুসার ছিল ইংরেজি ও উর্দু কথোপকথনে পারদর্শিতা। বয় স্কাউটের ডিস্ট্রিক্ট লিডার হিসেবে সে পাকিস্তানের করাচী থেকে একাধিক পুরস্কারও পেয়েছে। সত্তরের নির্বাচন ও একাত্তরের অসহযোগ আন্দোলনে আওয়ামী লীগের পক্ষে মাইকিং কাজে নিজেকে নিয়োজিত রাখলেও মুসার ছিল শক্ত পাকি কানেকশন।

অভিযোগ আছে, একাত্তরের ২১ এপ্রিল পাকি সৈন্যদের ফরিদপুরে ঢোকার ব্যাপারে মানচিত্র ও পথনির্দেশনা দিয়ে নেপথ্যে সহযোগিতা করেছে এই মুসা। তার প্রমাণ পাওয়া যায় পাকি মেজর আকরাম কোরায়শীর সাথে মুসার গভীর ঘনিষ্ঠতায়। ফরিদপুরে পাকি সৈন্য ঢোকার পরদিন অর্থাৎ একাত্তরের ২২ এপ্রিল ফরিদপুর সার্কিট হাউসে মেজর আকরাম কোরায়শী ও নুলা মুসাকে দেখা যায় খুবই অন্তরঙ্গ পরিবেশে। সেদিন এই দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন মুক্তিযোদ্ধা একেএম আবু ইউসুফ সিদ্দিক পাখী।

মেজর আকরাম কোরায়শীর সাথে গভীর সম্পর্কের কারনে মুসা একাত্তরে হয়ে উঠেছিল এক মূর্তিমান আতঙ্ক। মুসার প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ সহযোগিতায় পাকি সেনা, রাজাকার-আলবদর তথা পাকি দোসররা একাত্তরে নৃশংসভাবে খুন করেছিল শহরের মদনগোপাল আঙ্গিনার চন্দ্রকান্তনাথ, গৌরগোপাল আঙ্গিনার বিজয় মজুমদার, টেপাখোলার কবির আহমেদ চৌধুরী, গুড়বাজারের শেখ মোঃ আবু আব্দুল্লাহ দুলাল, খোদাবক্স রোডের অপরেশ সাহা, ভোম্বল সাহা, বৈদ্যনাথ সাহাসহ অগণিত মুক্তিপাগল জনতাকে।

একাত্তরে খুন, ধর্ষণ, লুটপাটে মুসার সহযোগী হিসেবে কাজ করেছিল মজিদ বিহারী, আবুল বিহারী, কালু বিহারী, মানিক বিহারী, চান্দা, ভেটকা, আয়নাল, আইয়ুব, অনু, পান্নু, চন্দন, রবি, আহমেদ মৌলানা ওরফে হাম্মাদ মৌলানাসহ অর্ধশতাধিক পাকি দোসর।

নুলা মুসা ও তার সহযোগীদের প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় একাত্তরে পাকি সেনা ও রাজাকার-আলবদররা লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায় সাবেক সংসদ সদস্য শহরের ইমাম উদ্দিন আহমাদ, নিত্যানন্দ কবিরাজ, সুখেন্দু রায়, মুক্তিযোদ্ধা আজাদ সিদ্দিকী, অহিভূষণ পোদ্দার, ধীরেন সাহা, চন্দ্রকান্তনাথ, নিমাই সাহা, পুটে সাহা, কৃষ্ণপদ সাহা, কৃষ্ণ বিশ্বাস এবং হরেন সাহার বাড়িসহ রথখোলা, লাহিড়ীপাড়া, ওয়্যারলেসপাড়া, শোভারামপুর ও বিভিন্ন মহল্লার সহস্রাধিক বাড়িতে।

রথখোলা দত্তবাড়ি লুটপাটের আরেক নায়ক ফরিদপুর বাস মালিক সমিতির সভাপতিও নির্বাচিত হয়েছিল। মোটর পার্টসের দোকান লুটকারী এ লুটেরাবাহিনী শহর এলাকার বাইরে মুন্সীবাজার, কৈজুরী, ঈশান গোপালপুর, তালমা, ভবুকদিয়া, কাজীকান্দাসহ অসংখ্য জনপদে চালিয়েছে তাণ্ডব। শহরের লাহিড়ীপাড়ায় যখন লুটপাট-তাণ্ডব চলছিল তখন পাকি মেজর আকরাম কোরায়শীর সাথে ছিল মুসা।

সেদিনের যুবক, আজকের রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের একজন ব্যবস্থাপককে লাহিড়ীপাড়া থেকে মুসার ইঙ্গিতে পাকি সেনারা সেদিন ধরে নিয়ে যায় সার্কিট হাউসে। পরে অনেক দেনদরবারের পর প্রাণে বেঁচে যান তিনি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আজকের ব্যাংক ব্যবস্থাপক একাত্তরে নুলা মুসার তাণ্ডবের বর্ণনা দিতে গিয়ে শিউরে ওঠেন। মেজর আকরাম কোরায়শীসহ অনেক পাকি সেনা সদস্যের অবাধ যাতায়াত ছিল মুসার বাড়িতে। মুসার পিতা তথাকথিত পীর শমসের মোল্লা পাকি সেনাদের মনোবল বাড়াতে তাদের গায়ে ফুঁ দিত আর বলত-‘ইন্ডিয়া পাকিস্তান বন জায়গা।’

শহরের একটি পরিবারের তিন বোনকে মুসা মাঝেমধ্যেই মিলিটারি জীপে তুলে নিয়ে যেত সার্কিট হাউসে পাকি মেজরের আস্তানায় গান শোনাতে। পরে পাকি ঘাতকদের হাত থেকে রেহাই পায়নি বোন তিনটির বাবা। তাঁকেও নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছিল। ফরিদপুরের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারসহ শহরের সব শহীদ মিনার মুসা পাকি সেনাদের দিয়ে ভেঙ্গে ফেলে। পাকি সেনারা তালমার অমূল্য কুণ্ডু ও কার্তিক সাহার বাড়ি থেকে লুট করে এনেছিল ৮ মণ পরিমাণ সোনা। কথিত আছে, এ বিপুল পরিমাণ সোনা পেয়ে আনন্দে আত্মহারা পাকি সেনারা তালমাকে পূর্বপাকিস্তানের ‘রাজধানী’ আখ্যা দিয়েছিল। পাকি সেনারা ব্যাংক থেকেও বিপুল পরিমাণ টাকা ও সোনা লুট করেছিল। অভিযোগ রয়েছে, তালমার সোনা লুট ও ব্যাংক লুটের ঘটনার সাথে জড়িত ছিল নুলা মুসা তথা আজকের প্রিন্স ডঃ মুসা-বিন-শমসের।

একাত্তরে এই কুখ্যাত মুসার মূল ভূমিকাটি ছিল পাকি সেনাদের নিত্য সহচর হিসাবে ঘাতকদের সকল অপকর্মের পথ নির্দেশনা দেয়া। পাকি মেজর আকরাম কোরায়শী মুসাকে বলত ‘দোস্ত’। দেশ স্বাধীন হবার পর ডিসেম্বরেই পাকি দোস্ত নুলা মুসা মুক্তিযোদ্ধাদের ভয়ে ফরিদপুর থেকে পালিয়ে চলে যায় পাবনায়। সেখানে বড় ভাইয়ের শ্যালিকাকে বিয়ে করে ঢাকা ও চট্রগ্রামে ছোটাছুটি করে।

এমন অভিযোগ রয়েছে, ঢাকার এক অবাঙালীকে পাকিস্তানে পাঠানোর নাম করে সে তার সহায়সম্পদ আত্মসাতের মাধ্যমে একপর্যায়ে ঢাকায় শাহবাজ ইন্টারন্যাশনাল নামে একটি আদম ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খোলে। বিদেশে লোক পাঠানোর নামে উত্তরবঙ্গের ২/৩শ’ লোকের কাছ থেকে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে মুসা বিদেশে উধাও হয়ে যায়। বছর তিনেক পর ঢাকায় ফিরে এসে DATCO নামের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান খুলে আবার শুরু করে আদম ব্যবসা। পাশাপাশি চলে অস্ত্র ও অবৈধ হুণ্ডির ব্যবসা।

এরশাদ আমলে তৎকালীন ফার্স্ট লেডিকে ‘ডক্টরেট’ খেতাব এনে দিয়ে লাইমলাইটে চলে আসে নুলা মুসা ওরফে আজকের প্রিন্স ডঃ মুসা-বিন-শমসের। আর পিছনে ফিরতে হয়নি মুসাকে। বিত্তবৈভবে শুধুই সামনে এগিয়ে চলা, শুধুই রাজকীয় জীবনযাপন করা। সূত্রটি জানায়, মুসা ১৯৮৭ সালে কোরীয় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান DONGHA COMPANY-এর মাধ্যমে লিবিয়ায় লোক পাঠিয়েছিল। এজন্য কমিশন বাবদ মুসার কাছে কোরীয় কোম্পানিটির পাওনা হয়েছিল প্রায় দু’কোটি টাকা। এই পাওনা পরিশোধ নিয়ে নানা কথা শোনা যায়। দেশের বা বিদেশের প্রতারিতরা মুসার বিরুদ্ধে টুঁ-শব্দটি করতে পারে না। কারণ মুসা সব সময়ই ক্ষমতাসীনদের ঘনিষ্ঠ থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে প্রভাবশালী এক মন্ত্রীর পুত্রের সাথে নিজের কন্যার বিয়ে দিয়ে প্রভাব, প্রতিপত্তি ও দাপটের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে নিয়েছে। তার বিরুদ্ধে ৬ কোটি টাকার চাঞ্চল্যকর আয়কর মামলাটিও হিমাগারে চলে গেছে। ব্রিটেনের লেবার পার্টিকে বিশাল অঙ্কের চাঁদা দেয়ার প্রস্তাব দিয়ে বিশ্বব্যাপী আলোচিত প্রিন্স ডঃ মুসা-বিন-শমসের দেশী-বিদেশী অনেক জাঁদরেল সাংবাদিককেও ভুয়া তথ্য দিয়ে আত্মপ্রচারের মাধ্যমে প্রতারিত করেছে, বোকা বানিয়েছে বলেও অভিযোগ আছে। সর্বশেষ মুসা মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নিজের নাম অন্তর্ভুক্তির অপচেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়।

মুসার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট স্পর্শকাতর বিষয়ে পুঙ্খানুপঙ্খ তদন্ত দাবি করে একাত্তরে নুলা মুসার অনেক অপকর্মের সাক্ষী মুক্তিযোদ্ধা ও বাস শ্রমিক একেএম আবু ইউসুফ সিদ্দিক পাখী বলেন, পাকি সেনাদের নিত্যসহচর কুখ্যাত মুসার মতো পাকি দোসরদের স্বরূপ উন্মোচন করতে একমাত্র জনকণ্ঠই পারে, জনকণ্ঠই পারবে। একাত্তরের ডিসেম্বরে ফরিদপুর থেকে পালিয়ে আসা মুসা আর দিনের আলোয় ফরিদপুরে ঢুকতে পারেনি-এ কথার উল্লেখ করে পাখী বলেন, সে দিন বেশি দূরে নয় যেদিন একাত্তরের ঘাতক-দালাল পাকি দোসরচক্র ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তের অর্জন প্রিয় বাংলাদেশ ছেড়ে পালাতে বাধ্য হবে।

স্যার বাসায়, স্যার বিদেশে !
জনকণ্ঠের এ প্রতিবেদক মুসা-বিন-শমসেরের সাথে কথা বলতে ফরিদপুর থেকে টেলিফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগ করেন তার ঢাকাস্থ বনানীর ড্যাটকো অফিসে ও গুলশানের বাসায়। ড্যাটকো অফিস থেকে এক ব্যক্তি জানান, স্যার বাসায়। বাসায় টেলিফোন করা হলে এক মহিলা বার বার প্রতিবেদকের পরিচয় জানতে চান। জনকণ্ঠের পরিচয় দিতেই মহিলাটি রিসিভার রেখে দেন। একই নম্বরে আবার টেলিফোন করা হলে মহিলাটি নিজেকে টেলিফোন অপারেটর পরিচয় দেন, নাম বলেন ফাহিমা। মুসা-বিন-শমসেরের সাথে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করলে মহিলাটি ‘স্যার বিদেশে গেছেন’ এ কথা বলেই রিসিভার রেখে দেন। আবার ড্যাটকো অফিসে যোগাযোগ করা হলে এক ব্যক্তি ‘স্যার বিদেশে, কবে ফিরবে জানি না’-এ কথা বলেই রিসিভার রেখে দেয়।

জনকণ্ঠ।। ২৪-০৩-২০০১

Can Bangladesh mobile, gateway operators stop pornography?

Bangladesh Telecommunication Regulatory Commission has asked all mobile operators to restrict promotion of pornographic and vulgar contents through mobile phones and social media sites or to block all websites in question on an urgent basis, reports Dhaka Tribune.

The telecom regulator instructed all mobile operators, Broadband Wireless Access (BWA) operators, International Internet Gateway (IIG) operators and internet service providers (ISPs) to act immediately. System and Services Division of the BTRC gave the directives on June 30 with reference to a High Court order dated May 10.

HC: Stop pornography in social media, mobile service

The operators have been asked to take necessary steps to prevent uploading and sending of porn videos, vulgar images, animations and conversations via mobile phones, Facebook, Twitter etc, and simultaneously blocking all such websites. The BTRC letter, however, did not give any appropriate definition for pornography.

Mahmud Hossain, chief corporate affairs officer of Grameenphone, told the Dhaka Tribune that they would comply with the order within the stipulated time.

Ekram Kabir, vice-president of Robi Axiata limited, echoed Mahmud and said that such action would be good for the society.

The High Court order came in response to a petition.

High Court acts on unruly house owners

The High Court has directed the government to form a high-power commission tasked with recommending maximum and minimum standard house rents for different areas in the capital city, reports Dhaka Tribune.

The commission, to be formed by the cabinet secretary, will first identify the problems that exist by holding discussions with both house-owners and tenants. It will also put through recommendations for updating the Premises Rent Control Act 1991.

The court also asked police to take steps regarding house rent-related complaints in all the cities including Dhaka.

Justices Mohammad Bazlur Rahman and Md Ruhul Quddus’s bench passed the order on July 1 in response to a writ petition filed by the Human Rights and Peace for Bangladesh five years ago.

The rights organisation filed the petition in April 2010, seeking the court’s directives for strict enforcement of the 1991 law to prevent the house-owners in Dhaka from whimsically increasing rents and realising rent in advance from tenants.

In May of that year, the court issued a rule asking the government to explain why it should not be directed to enforce the law properly.

During hearing at that time, petitioner’s counsel Manzill Murshid sought HC directives for ensuring bank involvement in rent-related transactions so that the government could collect due revenues. The attorney general’s office opposed the petition saying there were several government rent controllers for settling disputes.

However, a verdict in the writ petition had been pending for two years until the court decided to deliver it yesterday.

In its verdict, the HC bench said that the head of the commission would be a law expert nominated by the Law Ministry. The other members will have to include a university professor, who is an expert on housing and city development; an economist; a senior official of the Housing and Public Works Ministry; a civil society member; consumer rights expert; and a city corporation official.

The commission will fix area-wise highest and lowest house rents through mass hearing if required, said the HC.

The government was asked to appoint a house rent controller at every ward across the country for hearing and settling issues and allegations until the commission is formed.

“This initiative will be taken within the government’s financial ability,” the court said, hoping that the government would amend the 1991 law in line with the commission’s recommendations.

Manzill Murshid told reporters yesterday that house-rent related cases could drop by 80% following the verdict. “People have been waiting for a resolution of rent conflicts and now they are happy to have it.”

The court said there should be a separate authority for controlling rent with jurisdiction to regulate all relevant questions, the plaintiff’s lawyer said.

The court also directed the officers-in-charge all police station in Dhaka to make sure that no tenants are evicted or threatened until the commission’s recommendations are turned into a law. “Complaints must be resolved swiftly and security provided if necessary,” Manzill Murshid said.

Ground reality

According to the Premises Rent Control Act 1991, the annual rent should be equal to 15% of the market-value of a particular premises.

Ironically, most house-owners undervalue their assents in property papers to reduce tax but charge rents in proportion to the actual market-value of their premises.

A former high official of the National Board of Revenue said: “There is a tendency among house owners to undervalue assets to avoid paying high taxes. This is true for housing as well.”

The law also prohibits landlords from claiming or receiving any premium, salami, security or any other sum in addition to monthly rent unless consented by a rent controller.

But in practice, it is hard to find a house in Dhaka where the owner has not charged several months’ advanced rent from tenants as security deposit.

Second 13 of the law stipulates a landlord to give his tenants signed receipts for rents in “forms determined by law” and retain a counterfoil.

However, the Dhaka Tribune could not find out if any such “forms determined my law” actually exist.

Generally, the house renting contract between a owner and a tenant is informal, mostly verbal, and hence do not involve any document that could be of any use to law.

According to the Consumer Association of Bangladesh (CAB), house rent has been hiked in several areas of the capital by up to 9.76% in 2014 compared to 2013.

When contacted last night, CAB President Golam Rahman said it is a landmark verdict.

“The existing law is there to protect tenants’ rights but they have so far been deprived due to a lack of implementation. As a result, the people from low income groups have been the worst sufferers,” he said.

“In the slum areas of Dhaka, tenants pay more rent per square feet than those living in some of the posh areas. Poor people have to spend 50-60% of their incomes on paying rents. They do not have the means to run cases either,” said.

ভয়ংকর অপরাধী সংসদে!

টাঙ্গাইল-৪ (ঘাটাইল) আসন থেকে নির্বাচিত সাংসদ আমানুর রহমান খান (রানা) পুলিশের কাছে পলাতক। টাঙ্গাইলের আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার সন্দেহভাজন হিসেবে পুলিশ তাঁকে খুঁজছে। তাঁকে ধরতে টাঙ্গাইল ও ঢাকায় পুলিশ কয়েক দফা অভিযান চালায় বলে দাবিও করেছিল।
‘পলাতক’ এই সাংসদ গত রোববার সংসদে হাজির হয়ে সদস্যপদ রক্ষার জন্য হাজিরা খাতায় সই করে চলে যান। সংসদে হাজির হওয়ার বিষয়টি প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন জাতীয় সংসদের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
সাংসদ আমানুরের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। তাঁর ঘনিষ্ঠ এক আওয়ামী লীগ নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, সম্প্রতি উচ্চ আদালতে সাংসদ আমানুর একটি আবেদন করেন। সেখানে তিনি ‘পুলিশি হয়রানি’ থেকে রক্ষা পেতে আদালতের আদেশ চেয়েছিলেন। কিন্তু আদালতে হাজিরা দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার হতে পারেন, এ আশঙ্কায় আর যাননি।

হত্যায় সাংসদ, মেয়রের হাত!

‘পরিবার’মুক্ত হচ্ছে টাঙ্গাইল?

টানবাজার থেকে টাঙ্গাইল

আমানুর রহমানকে বহিষ্কার করল আ.লীগ

চার মাস ধরে পলাতক সাংসদ আমানুর

সংসদ সচিবালয় থেকে জানা গছে, আমানুর টানা ৬৫ কার্যদিবস সংসদে অনুপস্থিত ছিলেন। আইন অনুযায়ী টানা ৯০ কার্যদিবস অনুপস্থিত থাকলে সদস্যপদ বাতিল হয়ে যায়।
জানতে চাইলে জাতীয় সংসদের হুইপ আতিকুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গত রোববার সাংসদ আমানুরের সঙ্গে তাঁর দেখা হয়নি। তিনি বলেন, পুলিশের কাছে পলাতক হলেও তাঁকে ধরিয়ে দেওয়ার কাজ সংসদ করবে এমনটা নয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে যদি আগেই বিষয়টি সংসদকে জানানো হতো বা স্পিকারের দৃষ্টিতে আনা হতো, তাহলে স্পিকার এ ব্যাপারে করণীয় নির্ধারণ করতে পারতেন।
টাঙ্গাইলের প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দুই আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয়। এ হত্যা ঘটনার সঙ্গে সাংসদ আমানুর সরাসরি জড়িত বলে তারা জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে। হত্যাকাণ্ডের সময় সাংসদ ও তাঁর ভাই পৌর মেয়র সহিদুর রহমান খান (মুক্তি) উপস্থিত ছিলেন বলে আসামিরা জানিয়েছে। এ ছাড়া হত্যার পরিকল্পনায় আমানুরের আরও দুই ভাই টাঙ্গাইলের ব্যবসায়ী নেতা জাহিদুর রহমান খান (কাকন) ও সানিয়াত খান (বাপ্পা) যুক্ত ছিলেন বলে আসামিরা উল্লেখ করেছে। এই স্বীকারোক্তির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর থেকে চার ভাই পলাতক। গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বরের পর থেকে আমানুরকে আর সংসদে দেখা যায়নি।
টাঙ্গাইল পুলিশের একটি সূত্র বলেছে, আমানুর ও তাঁর ভাই সহিদুল ঢাকায় আছেন বলে তারা জেনেছে। তবে ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করছেন, এ জন্য কয়েকবার চেষ্টা করেও তাঁদের ধরা যায়নি। তবে অপর দুই ভাই জাহিদুর ও সানিয়াত সম্ভবত দেশে নেই।
ফারুক হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও টাঙ্গাইল গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম হাফিজুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, গত সোমবার সাংসদ আমানুর উচ্চ আদালতে যাচ্ছেন, এমন খবরের ভিত্তিতে তাঁরা হাইকোর্ট এলাকায় নজরদারি বাড়ান। সম্ভবত পুলিশের উপস্থিতি টের পাওয়ায় আমানুর আর আদালতে যাননি।

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র দেখতে আসবে ইউনেসকো

ইফতেখার মাহমুদ

রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ এবং পশুর নদ খনন বিষয়ে সরকারের দেওয়া তথ্য যথেষ্ট নয় বলে মনে করছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও ঐতিহ্যবিষয়ক সংস্থা ইউনেসকো। সুন্দরবনের প্রতিবেশ ব্যবস্থার ওপর ওই দুটি প্রকল্পের প্রভাব কীভাবে পড়ছে, তা বুঝতে একটি প্রতিবেশগত পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন চেয়েছিল ইউনেসকো। কিন্তু সরকার তা দেয়নি। এই তথ্য উল্লেখ করে ইউনেসকোর বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা নিজেরাই সুন্দরবনের ক্ষতি বুঝতে পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে।
গত শনিবার বিশ্ব ঐতিহ্য কেন্দ্রের বার্ষিক সাধারণ সভার পর এ সিদ্ধান্ত তাদের ওয়েবসাইটে তুলে দেওয়া হয়। ইউনেসকো ও প্রকৃতি সংরক্ষণ-বিষয়ক আন্তর্জাতিক সংগঠন আইইউসিএন-এর সমন্বয়ে ওই পর্যবেক্ষক দল পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে ইউনেসকো।

Unesco team to assess Sundarban stake

Sundarbans may lose its heritage status: UNESCO

Regulator defends Sundarbans coal power plant

জানতে চাইলে পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘সুন্দরবনের ব্যাপারে জাতিসংঘ বা যেকোনো আন্তর্জাতিক সংস্থা পর্যবেক্ষণ বা সহযোগিতা করতে চাইলে আমি ব্যক্তিগতভাবে না করব না। রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয় নিয়ে ইউনেসকো যদি আসতে চায়, তাহলে তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্যাপার। এ বিষয়ে আমি সবকিছু স্বচ্ছতার সঙ্গে করার পক্ষে।’
কোনো বিশ্ব ঐতিহ্য মানুষের কারণে ক্ষতির মুখে পড়লে এবং সেই দেশের সরকার এই ক্ষতি মোকাবিলায় ব্যর্থ হলে তাকে বিপন্ন বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ইউনেসকো। ওই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে কি না, তা নিশ্চিত হতে ‘রিয়েকটিভ মনিটরিং টিম’ নামে দল পাঠায় ইউনেসকো।
গত বছরের ডিসেম্বরে ইউনেসকো থেকে সরকারকে একটি চিঠি দিয়ে জানানো হয়, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হতে পারে। ওই ক্ষতি সম্পর্কে নিশ্চিত হলে তারা বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে সুন্দরবনের নাম বাদ দেবে।
যোগাযোগ করা হলে আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল প্রথম আলোকে বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের পরিবেশগত ছাড়পত্র দেওয়ার সময় যে ৬৯টি শর্ত দেওয়া হয়েছিল, তার বেশির ভাগই বিদ্যুৎকেন্দ্রটির কর্তৃপক্ষ পালন করছে না। তিনি বলেন, ‘সুন্দরবন কারও একার সম্পদ নয়। এটা আমাদের সবার। কিন্তু সুন্দরবনের ব্যাপারে বারবার তথ্য চেয়েও আমরা সরকারের কাছ থেকে পাচ্ছি না। তাই সুন্দরবনের ক্ষতির বিষয়ে সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমরাও উদ্বিগ্ন।’
নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ বিদ্যুৎ কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক উজ্জল ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, ‘সব আইন মেনেই আমরা রামপাল মৈত্রী সুপার থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মাণ করছি। আন্তর্জাতিক মান ও নিয়ম এ ক্ষেত্রে মানা হচ্ছে।’
ইউনেসকো গত জানুয়ারিতে সরকারকে দেওয়া চিঠিতে জানিয়েছিল, সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সরকার যদি কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়, তাহলে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই ম্যানগ্রোভ বনটি বিশ্ব ঐতিহ্যের সম্মান হারাতে পারে।
সুন্দরবনের ক্ষতির আশঙ্কা তুলে এর আগে নরওয়ের রাষ্ট্রীয় আর্থিক প্রতিষ্ঠান পেনশন ফান্ড রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভারতীয় অংশীদার ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি থেকে তাদের বিনিয়োগ প্রত্যাহার করে নেয়। চলতি মাসে তিনটি ফরাসি ব্যাংক রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিনিয়োগ না করার ঘোষণা দিয়েছে।
ইউনেসকোর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সুন্দরবনের পাশে রামপালের উজানে আরও মারাত্মক দূষণকারী শিল্পকারখানা গড়ে ওঠার ক্ষেত্রে অনুঘটকের ভূমিকা পালন করছে এই কেন্দ্রটি।

শে হাসিনা বিবিসি-কে যা বললেন

openblogbd.com

সোহরাব হাসান

আমাদের নেতা-নেত্রীরা খুব একটা গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন না। তাঁরা একতরফা বলতে ভালোবাসেন। আবার আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোতেও বাংলাদেশের নেতা-নেত্রীদের মুখোমুখি হওয়ার তাগিদ তেমন দেখা যায় না। সেদিক থেকে বিবিসি ওয়ার্ল্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাৎকারটি গুরুত্বের দাবি রাখে। এখন দেখার বিষয় এই সাক্ষাৎকারে তাঁর দেওয়া বক্তব্যের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা তথা বাস্তবতার কতটা অ-মিল বা বে-মিল আছে।
সাক্ষাৎকারের একটি বড় অংশ ছিল জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে তাঁর সরকারের সাফল্য ও ব্যর্থতা। সেই অনুষঙ্গে এসেছে বাল্যবিবাহ বা মেয়েদের বিয়ের বয়স নিয়ে সরকারের স্ববিরোধী অবস্থান। এসেছে দুর্নীতির সূচকে বাংলাদেশের অগ্রবর্তী অবস্থান, রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা, ইসলামি জঙ্গিদের হাতে মুক্তচিন্তার কয়েকজন লেখক-ব্লগারের খুন হওয়ার ঘটনা। বাদ যায়নি সম্প্রতি ঢাকা সফরকালে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন্তব্য কিংবা প্রধানমন্ত্রীর ভাগনি টিউলিপ সিদ্দিকের হাউস অব কমন্সের সদস্য নির্বাচিত হওয়া।
জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে শেখ হাসিনা তাঁর সরকারের সাফল্য ও কৃতিত্ব বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের আগেই আওয়ামী লীগের ঘোষিত নীতি অনুযায়ী তাঁরা অনেক…

View original post 1,158 more words

Corrupt police gone reckless despite steps

police_DTPolice high-ups are embarrassed as many officials of the force have now been found involved in serious crimes including smuggling, human trafficking and rape, apart from the most common allegations of bribery and extortion.

Dhaka Tribune Report

Data of the Police Headquarters also shows that the number of complaints against officials ranging from superintendents to constables have been on the rise, despite repeated warnings issued by the home state minister, police chief and the Dhaka Metropolitan Police commissioner against such incidents.

Crime and security experts observe that strict monitoring, tough punishment and an end to culture of impunity could have stopped police’s involvement in serious crimes.

Asaduzzaman Miah, the DMP Commissioner, issued a letter last week saying he had evidence that many police officials were engaged in crimes like narcotics trade and kidnapping for money.

He warned of stern action against the errant personnel if they continued such activities.

AKM Shahidul Haque, the inspector general of police, said they had taken “zero tolerance” theory against the criminals. “If anyone is found involved in crimes, the person will not be treated as police official,” he told the Dhaka Tribune.

“Legal and departmental action will be taken against them,” he added.

Yesterday, the deputy commissioner (north) of Barisal Metropolitan Police, Jillur Rahman, was suspended for taking bribes from lower-tier officials promising them of giving promotion. Jillur was also attached to the Deputy Inspector General (DIG) Office in Sylhet range.

Later in the day, 10 other officers were suspended. The Police Headquarters took the decision as per recommendation of the IGP since the allegation against him was proved. The “discipline and professional standard unit” of the police conducted the departmental inquiry.

Police Headquarters Security Cell data say they got around 6,000 complaints against officials of different tiers from January to May this year. Of those, complaints were filed against 5,566 police officers – 28 were arrested red handed while committing crimes – across the country.

So far, the Police Headquarters have taken action against 787 officials. Of them, 57 were sacked or sent to forced retirement. Probe against the remaining accused is under way.

Of the accused officials, three are police superintendents, seven additional police superintendents, 18 senior assistant police superintendents, 48 inspectors, 812 sub-inspectors, 1,218 assistant sub-inspectors, 1,115 sergeants and trainee sub-inspectors, 431 habildars, and 3,132 are naiks and constables.

The data show that the Police Headquarters took action against 14,500 police officers for involvement in crimes in 2013 while 15,500 in 2014. The number of complaints filed last year was 18,000.

Different local and international rights bodies also blame police and its elite force Rapid Action Battalion for their involvement in extrajudicial killings, forced disappearance and torture in custody.

On June 28, two sub-inspectors of Pallabi police station and 16 others were sued over extortion charges.

On June 21,  an assistant sub-inspector of police’s Special Branch, Mahfuzur Rahman, was arrested by the Rapid Action Battalion with 6.80 lakh yaba tablets from Feni. In interrogation, he confessed that 14 other police officials were also involved in the drug business.

Last week, the OC of Cox’s Bazar Detective Branch (DB) of police was closed to the DIG office and 10 others transferred for their suspected involvement in yaba smuggling and human trafficking.

Recently, an intelligence agency recommended action against 24 police officers for their involvement in human trafficking.

A number of police officers were sued in the recent times for realising money from people, mainly businessmen, following abduction. Some of the victims were killed while others released.

Police officers have also been found involved in rape, and harassing rape victims and their families when they wanted to file complaints.

On May 27, the officer-in-charge and a sub-inspector of Rangunia police station were sued for destroying evidence of rape of a minor girl and harassing the victim’s family members.

Few days back, officials at Turag, Gulshan and Bhatara police stations refused to register a rape case when the victim, a Garo woman, and her family members went there. Later the High Court deplored the police’s behaviour and ordered that no victim faces such discrimination and negligence in the future.

On May 11, SI Kalimur Rahman and his cohorts raped a police constable at his house in the capital. He was later arrested from Cox’s Bazar area and eventually lost his job.

In February, then Mohammadpur zone assistant commissioner Rajibul Hasan kidnapped a 17-year-old girl and kept her confined in his house for two months. The victim’s family filed a case with Kafrul police and approached RAB for help.

After the incident came into light in April, Rajibul was withdrawn and attached to Tejgaon deputy commissioner’s office.

Prof Zia Rahman, chairman of criminology department at Dhaka University, thinks the offenders in the police force should be given exemplary punishment.

“As there have been changes in crimes and life style of the people, same happened with police’s activities,” he said.

Former police chief Md Nurul Huda said it is a very sorrowful incident that officials of a disciplinary force are getting involved in crimes.

“The senior officials should intensify supervision to bring down the number of crimes committed by the police,” he said adding that the departmental punishment should be increased.

When contacted, State Minister of Home Affairs Asaduzzaman Khan Kamal said no one would be spared if they are found involved in wrongdoings. “We will take action against those responsible applying the existing laws of the country.”

Few polluters penalized, others enjoying impunity laugh at authorities

Corruption allows pollution to go unabated!

probz blog

The Department of Environment is the regulatory body of the Bangladesh government to take punitive action against the offenders. But due to corruption, shortage of skilled manpower and reluctance, the DoE’s performance has never been satisfactory.

Hence, even though some polluters are warned and fined, most of the offenders go unpunished bribing the government officials and politicians.

On the other hand, even being fined, the business enterprises get some benefits while paying the fines. They are asked to pay a part of the fine and the rest is exempted in exchange for bribes.

This culture of impunity should stop before the country’s environment reaches the peak of severe contamination affecting each and everyone within the range.

Dhaka and its adjoining areas have been considered as industrial zones since long, but no government took any long-term plan to manage environment in those areas. In result, we can see massive degradation of air…

View original post 189 more words